admin ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১:০১ পিএম প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসননীতি বরাবরই ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক বক্তব্য ও নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান বিষয়। ২০১৫ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার সময় থেকেই তিনি মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অপরাধ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অভিযোগ তুলে কঠোর অভিবাসননীতির পক্ষে অবস্থান নেন।

প্রথম মেয়াদে তার নেওয়া কিছু উদ্যোগ আদালতের বাধার মুখে পড়লেও দ্বিতীয় মেয়াদে কংগ্রেসের বিপুল অর্থায়ন এবং সুপ্রিম কোর্টের তুলনামূলক অনুকূল অবস্থানের সুযোগে সেই নীতি বাস্তবায়নে গতি এসেছে।
২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে সীমান্ত বন্ধ করা এবং ব্যাপকভাবে অভিবাসীদের বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ক্ষমতায় ফিরে সেই দুই লক্ষ্য বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে কঠোর অভিযান মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে অভিবাসননীতি তাই মার্কিন ভোটারদের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
ট্রাম্পের অভিবাসননীতিতে পাঁচটি বড় পরিবর্তন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
১. কার্যত বন্ধ হয়ে এসেছে দক্ষিণ সীমান্ত
জো বাইডেনের প্রেসিডেন্সির সময় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে অভিবাসীদের প্রবেশের চেষ্টা ব্যাপকভাবে বেড়েছিল। ২০২৩ ও ২০২৪ সালেই মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৪৫ লাখের বেশি ‘এনকাউন্টার’ নথিভুক্ত হয়।
তবে বাইডেন প্রশাসনের শেষ দিকে আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন সীমিত করা এবং অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে মাসিক সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর সীমান্তে অভিবাসীদের আগমন আরও কমেছে।
আশ্রয় আবেদন কার্যত স্থগিত রাখা, আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়ার নীতি বন্ধ করা, সীমান্তে সেনা মোতায়েন এবং মেক্সিকোর ওপর অভিবাসীদের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে চাপ সৃষ্টি- এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রশাসন সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে।











