admin ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১২:৫২ পিএম প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি ব্রাহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও দূরপাল্লার করতে ব্যাপক উন্নয়নকাজ চলছে।

ক্ষেপণাস্ত্রটির ধ্বংসক্ষমতা ও পাল্লা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের একাধিক সংস্করণ তৈরির পরিকল্পনা করছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ব্রাহ্মস অ্যারোস্পেস।
এর মধ্যে রয়েছে হালকা ও বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্রাহ্মস-এনজি, সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার একটি সম্ভাব্য সংস্করণ এবং হাইপারসনিক ব্রাহ্মস-২।
গত বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতে ব্রাহ্মসের ব্যবহার এবং এর কার্যকারিতা নিয়ে ভারতের দাবির পর ক্ষেপণাস্ত্রটি আন্তর্জাতিক বাজারেও বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদা সামাল দিতে উৎপাদন সক্ষমতা ও সরবরাহব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগও নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ব্রাহ্মস অ্যারোস্পেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জয়তীর্থ যোশি জানান, ক্ষেপণাস্ত্রটির কার্যকারিতা ও পরিচালনাগত সক্ষমতা উন্নত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি নতুন সংস্করণ তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
ব্রাহ্মস অ্যারোস্পেস হলো ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এবং রাশিয়ার এনপিও মাশিনোস্ত্রোইয়েনিয়ার যৌথ উদ্যোগ। ভারতের ব্রহ্মপুত্র ও রাশিয়ার মস্কভা নদীর নাম মিলিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম রাখা হয়েছে ব্রাহ্মস।
স্থল, সমুদ্র ও পানির নিচের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভুলভাবে দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এর বিভিন্ন সংস্করণ স্থলভিত্তিক উৎক্ষেপণব্যবস্থা, যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা যায়।
গত বছরের সংঘাতে আলোচনায় ব্রাহ্মস
গত বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে সংঘাতের সময় ব্রাহ্মস নতুন করে আলোচনায় আসে। ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। পরবর্তী সময়ে সংঘাতের মধ্যে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে সামরিক অভিযান চালায়।











